#জীবন ও জীবাণু#
ঘুম থেকে উঠেই সুমন দেখলো ঘড়িতে ৮.৩০ বাজে। আজ শনিবার, তাই একটু লেট করে উঠেছে। ওদিকে বউ অলরেডি উঠে রান্নাঘরে ঢুকেছে। এই ওয়ার্ক ফ্রম হোম এর চক্করে ওয়ার্ক ফর হোম টাই করা হচ্ছে না।
ভাবলো আজ সব ঘরের ঝুল ঝেড়ে একটু ভালো খাবার দাবারের আবদার করা যাবে। এমনিতেই লকডাউন এর বাজারে ডিমটাই বেশি পাওয়া ও খাওয়া হচ্ছে। কাল ই এক ক্রেট এনে রেখেছে পরের দিন দশেকের জন্য। সেগুলোর ভালো করে জীবাণু মানে করোনা মুক্ত করে রেখে দিয়েছে একটা ঘরের কোণে। তা ওপরের দিকে তাকিয়ে ঝুল ঝাড়তে ঝাড়তে এতই মশগুল, ফট করে পা দিয়ে দিল ওই ডিমের ক্রেটের ওপর। যা, আজ তো মনে হচ্ছে ডাল ভাত ও জুটবে না।
টুক করে দেখে এল হোম মিনিস্টারের অবস্থান টা। এখন বাথরুমে আছে। আস্তে আস্তে ভাঙ্গা ছ ছটা ডিম তুলে নিয়ে, সুমন গেল রান্নাঘরে।
বউ বাথরুম থেকে বেরোতেই, দেখো আজ তোমার জন্য ব্রেকফাস্ট বানিয়েছি।
"বাব্বা, আজ সূর্য ওঠেনি নাকি! সকালে দেখলাম ঝুল ঝাড়ছো, এখন আবার ব্রেকফাস্ট, মতলব টা কি বলোতো? একি, এত মোটা অমলেট, কতগুলো করে ডিম দিয়েছ?"
"না, আজকে ভাবলাম মোটা করেই ব্রেকফাস্ট করি।" মনে মনে বললো, দুপুরে খাবার পাবো কিনা কে জানে, রিস্ক নিয়ে লাভ কি!!
"কিন্তু এই বাজারে এতগুলো ডিম না ইউজ করতেই পারতে, সংসার টা তো আমাকেই টানতে হবে এই যা জিনিস আছে তাই দিয়েই। তারমধ্যে আবার একই খাবার দুবেলা তোমার মুখে রুচবে না।"
"শুধু অমলেট এর মোটা টাই দেখলে, আমার খাটুনিটা দেখলে না।" একটু অভিমানী সুরে বলল সুমন। এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছে যাতে দুপুরের খাবারটা মিস না হয়।
"সরি, বাদ দাও, দুপুরে একটু বাসমতি চালের ফ্রাইড রাইস করি, ডিম দিয়ে?"
"ডিম টা বাদ দাও, তোমাকে ওই কটা দিয়েই সপ্তাহ চালাতে হবে তো।"
©Ayan
ঘুম থেকে উঠেই সুমন দেখলো ঘড়িতে ৮.৩০ বাজে। আজ শনিবার, তাই একটু লেট করে উঠেছে। ওদিকে বউ অলরেডি উঠে রান্নাঘরে ঢুকেছে। এই ওয়ার্ক ফ্রম হোম এর চক্করে ওয়ার্ক ফর হোম টাই করা হচ্ছে না।
ভাবলো আজ সব ঘরের ঝুল ঝেড়ে একটু ভালো খাবার দাবারের আবদার করা যাবে। এমনিতেই লকডাউন এর বাজারে ডিমটাই বেশি পাওয়া ও খাওয়া হচ্ছে। কাল ই এক ক্রেট এনে রেখেছে পরের দিন দশেকের জন্য। সেগুলোর ভালো করে জীবাণু মানে করোনা মুক্ত করে রেখে দিয়েছে একটা ঘরের কোণে। তা ওপরের দিকে তাকিয়ে ঝুল ঝাড়তে ঝাড়তে এতই মশগুল, ফট করে পা দিয়ে দিল ওই ডিমের ক্রেটের ওপর। যা, আজ তো মনে হচ্ছে ডাল ভাত ও জুটবে না।
টুক করে দেখে এল হোম মিনিস্টারের অবস্থান টা। এখন বাথরুমে আছে। আস্তে আস্তে ভাঙ্গা ছ ছটা ডিম তুলে নিয়ে, সুমন গেল রান্নাঘরে।
বউ বাথরুম থেকে বেরোতেই, দেখো আজ তোমার জন্য ব্রেকফাস্ট বানিয়েছি।
"বাব্বা, আজ সূর্য ওঠেনি নাকি! সকালে দেখলাম ঝুল ঝাড়ছো, এখন আবার ব্রেকফাস্ট, মতলব টা কি বলোতো? একি, এত মোটা অমলেট, কতগুলো করে ডিম দিয়েছ?"
"না, আজকে ভাবলাম মোটা করেই ব্রেকফাস্ট করি।" মনে মনে বললো, দুপুরে খাবার পাবো কিনা কে জানে, রিস্ক নিয়ে লাভ কি!!
"কিন্তু এই বাজারে এতগুলো ডিম না ইউজ করতেই পারতে, সংসার টা তো আমাকেই টানতে হবে এই যা জিনিস আছে তাই দিয়েই। তারমধ্যে আবার একই খাবার দুবেলা তোমার মুখে রুচবে না।"
"শুধু অমলেট এর মোটা টাই দেখলে, আমার খাটুনিটা দেখলে না।" একটু অভিমানী সুরে বলল সুমন। এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছে যাতে দুপুরের খাবারটা মিস না হয়।
"সরি, বাদ দাও, দুপুরে একটু বাসমতি চালের ফ্রাইড রাইস করি, ডিম দিয়ে?"
"ডিম টা বাদ দাও, তোমাকে ওই কটা দিয়েই সপ্তাহ চালাতে হবে তো।"
©Ayan





0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন