হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। ফিবার এফ এম (Fever 104 FM) নয়, এটা ফিবার এল এম। মেসি জ্বরে আক্রান্ত গোটা বিশ্ব। আর একটা মাত্র ধাপ। তারপরই হয় চূড়ান্ত সাফল্য না হয় ব্যর্থতার হতাশা। আগের একুশ বারের মধ্যে লাতিন আমেরিকা ন টা জিতলেও পাল্লা ভারী ইউরোপের, সব মিলিয়ে বারোটা জেতার নজির রয়েছে ওদের। তাই এবারের কাপ যেমন আর্জেন্টিনা আর মেসির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ লাতিন আমেরিকার বিজয় কেতন উড়িয়ে রাখার জন্য। নাহলে ফুটবলের লাতিন শিল্প যে অস্তাচলে পাড়ি দেবে।
এদিকে নেট দুনিয়ায় নানা মেমের মধ্যে সব থেকে আকর্ষণীয় যেটা হয়েছে তা হল, ব্রাজিলের সমর্থকদের দলে দলে আর্জেন্টিনার দলে যোগ দেওয়ার। এ যেন সেই ভোটের আগে কাজ না করতে পারার অজুহাতে দল পরিবর্তনের খেলা।
এবারের ফাইনাল দুটো দলের কাছেই নতুন মাইলস্টোন ছোঁয়ার দিন। একদিকে এমবাপে সহ ফ্রান্সের চাহিদা পর পর দুবার জিতে ব্রাজিল কে স্পর্শ করার, অন্যদিকে মেসির আর্জেন্টিনার পাখির চোখ ছত্রিশ বছরের ট্রফি খরার অবসান। দিন যত এগিয়ে আসছে তত বাড়ছে উত্তেজনা, পাড়ায় পাড়ায়, অলিতে গলিতে, ঘরে ঘরে।
শহর মুড়েছে নীল সাদা পতাকায়। বাসের পিছনে, টোটোর সামনেও পত্পত্ করে উড়ছে সে। সারা বাংলা, ভারত তথা বিশ্বের সমস্ত মানুষের মনের একমাত্র চাহিদা ওই ম্যাজিসিয়ানের হাতেই এবার উঠুক সেরার শিরোপা। এবারই শেষ হয়ে যাবে ওঁর সেই ড্রিবল, যা আর দেখা যাবে না বিশ্বকাপের মাঠে। নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন যে। তাই প্রার্থনার লাইন হচ্ছে লম্বা, আরো লম্বা। যেন সেই মৃত্যুমুখী কোভিড ফিবারের মত কাউন্ট বাড়ছে শুধু। পার্থক্য এই শুধু, এ ফিবার সোশ্যাল ডিস্টেনসিং কমাচ্ছে। সবাই জড়ো হচ্ছে বিবাদ মত ভেদ ভুলে। আরো আরো মানুষের গোল হার্ডেল তৈরি হচ্ছে। এ ফিবার এল এম টেনের, মেসি ফিবার।
রচনার সময়ঃ ১৭ই ডিসেম্বর, ২০২২






0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন