শুরু সেই পাহাড়ে ফেলুদা দিয়ে। দিদার কাছ থেকে পাওয়া গিফট থেকেই ভালোলাগায় পড়া। একে একে 'ফেলুদার গোয়েন্দা গিরি', 'গ্যাংটকে গন্ডগোল' হয়ে যখন 'ভূ-স্বর্গ ভয়ঙ্কর' এ এসে পৌঁছলাম, ততক্ষণে পুরো প্রেমে হাবুডুবু।
তারপর চাক্ষুষ দর্শন সেই ঘুরঘুটিয়ার ঘটনা, গোলকধাম রহস্য থেকে টেলিভিশনের পর্দায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের তুখোড় ম্যানারিজমকে সঙ্গী করেই। ধীরে ধীরে আরো বন্ধনে জড়িয়ে পড়া ছুটি ছুটির পর্দায় সেই সোনার কেল্লা আর জয় বাবা ফেলুনাথ এর হাত ধরে। 'ত্রিনয়ন ও ত্রিনয়ন, একটু জিরো' থেকে শুরু করে সেই ক্যাপ্টেন স্পার্কের হিন্ট, 'মূর্তি আছে রাজার কাছে, আফ্রিকার রাজা'
এইসব পড়ে ও দেখে আমি এবং তথাকথিত বাঙালি ঢুকে পড়েছিল রহস্য সন্ধানে, বুদ্ধির গোড়ায় ধোঁয়া দিতে।
আর ফেলুদা ছাড়াও যে অমোঘ সৃষ্টি নিয়ে বাঙালি আজও গর্ব করে, তা হল লালমোহন বাবু ওরফে জটায়ু, প্রোফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু, তারিণীখুড়ো।
যদি উনি শুধু এইটুকুই সৃষ্টি করতেন, তাহলেও বোধহয় অমর হয়ে থাকতেন পাঠকের আঙিনায়।
ঠিক ধরেছেন, আজ সেই বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক, শিল্পী, চলচ্চিত্র পরিচালক, কার্টুনিস্ট আরো শত কোটি চরিত্রের অধিকারী মানুষটির জন্মদিন।
সত্যজিৎ রায়, মহারাজা তোমারে সেলাম!!






0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন